অপর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহের কারণে গত ১ জানুয়ারি থেকে এমারাল্ড অয়েলে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ব্যবস্থাপনাকে কারখানাটি পুনরায় চালু করার পাশাপাশি এটি সচল রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ নিশ্চিত করার অনুমোদন দিয়েছে।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এরই মধ্যে নতুন বয়লার মেশিন, ট্রান্সফরমার ও বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এগুলো স্থাপনের কাজ চলছে।
এছাড়া রিফাইনারি ইউনিটসহ কারখানার সম্পূর্ণ প্লান্ট ও যন্ত্রপাতি মেরামতের কাজও করা হচ্ছে। এ ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ মোট ব্যয় প্রায় ১০ কোটি টাকা হতে পারে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এমারাল্ড অয়েলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৭০ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ চূড়ান্ত ও ৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে এমারাল্ড অয়েলের ইপিএস হয়েছে ৭৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩৭ পয়সায়।